অজানা তথ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অজানা তথ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

কামিল তাফসির বিভাগের মৌখিক ভাইভা প্রশ্ন ও উত্তর (পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য)

✍️ কামিল তাফসির বিভাগে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য মৌখিক ভাইভা একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যা তাদের জ্ঞান, বোধ এবং ব্যাখ্যাগত সক্ষমতার মূল্যায়ন করে। এ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদেরকে তাফসির, উলূমুল কুরআন, আরবি ভাষা ও ব্যাখ্যাবিদ্যার বিভিন্ন দিক থেকে প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। এই সংকলনে সম্ভাব্য কিছু মৌখিক ভাইভা প্রশ্ন এবং তাদের সংক্ষিপ্ত উত্তর উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা সহজে প্রস্তুতি নিতে পারে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে। নিচে কয়েকটি কমন ভাইভা প্রশ্ন এবং উত্তর লেখা হলো আশাকরি এতে কামিল তাফসির বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের উপকারে আসবে । 


১. তাফসির শব্দের অর্থ কী? 
উত্তর: তাফসির শব্দটি আরবি "فسر" মূল ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ করা। ইসলামী পরিভাষায় তাফসির বলতে কুরআনের আয়াতসমূহের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ বোঝানো হয়।

২. তাওয়ীল ও তাফসিরের পার্থক্য কী?
উত্তর: তাফসির: আয়াতের প্রকাশ্য অর্থ ব্যাখ্যা করা।
তাওয়ীল: আয়াতের গোপন বা আভ্যন্তরীণ অর্থ ব্যাখ্যা করা।

৩. তাফসিরের প্রধান কত প্রকার?
উত্তর: প্রধানত দুই প্রকার:
১. তাফসির বিল মাসূর (নকলভিত্তিক)
২. তাফসির বির্ রাই (ব্যক্তিগত মতভিত্তিক)

৪. তাফসির বিল মাসূর কাকে বলে?
উত্তর: সাহাবা, তাবেয়িন এবং প্রাথমিক যুগের উলামাগণের বর্ণনার ভিত্তিতে কুরআনের ব্যাখ্যা করাকে তাফসির বিল মাসূর বলে।

৫. তাফসির বির্ রাই কী?
উত্তর: নিজস্ব জ্ঞান, যুক্তি ও ইজতিহাদ দিয়ে কুরআনের ব্যাখ্যা করাকে তাফসির বির্ রাই বলে, তবে তা শরিয়তের মূলনীতির পরিপন্থী হওয়া চলবে না।

৬. প্রথম তাফসির লেখক কে?
উত্তর: সর্বপ্রথম তাফসিরকার হিসেবে ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে ধরা হয়। তবে গ্রন্থাকারে প্রথম তাফসির লেখেন ইমাম মুজাহিদ ইবনে জাবির।

৭. তাফসিরে কুরতুবীর বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: ইমাম কুরতুবীর তাফসির "আল-জামি লি আহকামিল কুরআন" নামক তাফসিরটি আহকামি (বিধি-বিধানভিত্তিক) তাফসির। এতে কুরআনের আইনগত দিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

৮. তাফসিরে জালালাইন কারা লিখেছেন?
উত্তর: ইমাম জালালুদ্দীন মাহালি এবং তাঁর ছাত্র ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী।

৯. তাফসিরে মাআরিফুল কুরআন কার লেখা?
উত্তর: পাকিস্তানের বিখ্যাত আলেম মুফতী মুহাম্মদ শাফী (রহঃ)।

১০. তাফসিরে ইবনে কাসীর-এর বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: এটি একটি প্রামাণ্য তাফসির, যেখানে কুরআন, হাদীস, সাহাবা ও তাবেয়িনের বক্তব্য দ্বারা কুরআনের ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

১১. তাফসির লেখার উৎসসমূহ কী কী?
উত্তর: তাফসীরের উৎস সমূহ বেশ কয়েকটি, যেমন--
১. কুরআন দ্বারা কুরআনের ব্যাখ্যা
২. হাদীস
৩. সাহাবাগণের বর্ণনা
৪. তাবেয়িনদের মতামত
৬. ভাষা ও সাহিত্য
৬. যুক্তি ও কিয়াস

১২. নাসিখ ও মানসুখ কী?
উত্তর: 
নাসিখ: যে আয়াত দ্বারা পূর্বের কোনো হুকুম রহিত হয়।
মানসুখ: যে হুকুম রহিত হয়।

১৩. মাক্কী ও মাদানী সূরার পার্থক্য কী?
উত্তর: মাক্কী সূরা: হিজরতের পূর্বে অবতীর্ণ।
মাদানী সূরা: হিজরতের পরে অবতীর্ণ।

১৪. মুজমাল ও মুফাস্সাল কী?
উত্তর: মুজমাল: সংক্ষিপ্তভাবে ইঙ্গিতপূর্ণ আয়াত।
মুফাস্সাল: বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ আয়াত।

১৫. মুহ্কাম ও মুতাাশাবিহ কাকে বলে?
উত্তর: মুহ্কাম: পরিষ্কার অর্থবিশিষ্ট আয়াত।
মুতাাশাবিহ: অর্থ পরিষ্কার নয়, একাধিক ব্যাখ্যা সম্ভব।

১৬. কুরআনে তাফসিরের জন্য কত রকমের জ্ঞান প্রয়োজন?
উত্তর: কমপক্ষে ১৫-২০টি শাস্ত্র যেমন নাহু, সরফ, বালাগাত, হাদীস, ফিকহ, উসুল, আসবাবে নুযূল ইত্যাদি।

১৭. আসবাবে নুযূল বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: কোনো আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পেছনের কারণ বা ঘটনা।

১৮. সাহাবাদের মধ্যে কে সবচেয়ে বেশি তাফসির করেছেন?
উত্তর: আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ)।

১৯. তাফসিরে রাযী এর বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: এটি যুক্তিভিত্তিক তাফসির। ইমাম ফখরুদ্দীন রাযীর লেখা "তাফসিরে কবীর" তাফসির রাযী নামেও পরিচিত।

২০. বাংলা ভাষায় প্রণীত প্রথম তাফসিরগ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: "তাফসিরে মাযহারি" (আংশিক অনুবাদ), তবে পূর্ণাঙ্গ তাফসির হিসেবে মাওলানা আকরম খাঁ-এর "তাফসিরে আকরামী" উল্লেখযোগ্য। 

💌 তাফসির বিভাগের মৌখিক ভাইভা একজন শিক্ষার্থীর জ্ঞান, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও ধর্মীয় ভাবনার পরিপক্বতা যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই প্রশ্নোত্তরগুলো আত্মবিশ্বাস ও প্রস্তুতি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়। যথাযথ অধ্যয়ন, মনোযোগ এবং আত্মপ্রত্যয়ের মাধ্যমে এই ভাইভায় উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব—আল্লাহর সাহায্য সর্বদা কাম্য। 

⚠️ Warning ⚠️
© 2025 নব দিগন্ত প্রো – সকল অধিকার সংরক্ষিত

এই ব্লগের সকল লেখা, ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য উপাদান বাংলাদেশের "কপিরাইট আইন, ২০০০" (সংশোধনীসহ) অনুযায়ী সংরক্ষিত । 
স্বত্বাধিকারীর পূর্বানুমতি ব্যতীত এই ব্লগের কোনো কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি, পুনঃপ্রকাশ, সংরক্ষণ, অনুবাদ, বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না।
যেকোনো কনটেন্ট শেয়ার করতে চাইলে মূল লিংকসহ উল্লেখ করুন এবং অনুমতির জন্য নিচের ইমেইলে যোগাযোগ করুন।
যোগাযোগ: sharifulislamjr1@gmail.com

হিট স্ট্রোক : কারণ ও প্রতিকার

হিট স্ট্রোক

হিট স্ট্রোক একটি জীবন-হুমকিপূর্ণ অবস্থা যেখানে তাপ আপনার শরীরের তাপমাত্রা পরিচালনা করার ক্ষমতাকে অভিভূত করে। লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, দৃষ্টি ঝাপসা, ঝাপসা কথাবার্তা এবং বিভ্রান্তি। হিট স্ট্রোকের কারণে রক্ত ​​প্রবাহ কমে যায় এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতি হয়। হিট স্ট্রোকের উপসর্গ আছে এমন কারও জন্য অবিলম্বে চিকিৎসা সেবা নিন।

হিট স্ট্রোক কি?

হিট স্ট্রোক হল তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতার সবচেয়ে গুরুতর রূপ (হাইপারথার্মিয়া) এটি ঘটে যখন আপনার শরীর অতিরিক্ত গরম হয় এবং ঠান্ডা হতে পারে না। আপনি যদি খুব উষ্ণ জায়গায় থাকেন, যেমন এয়ার কন্ডিশনার ছাড়া বাড়িতে থাকেন, অথবা আপনি যদি তীব্র শারীরিক ক্রিয়াকলাপ করেন যা প্রচুর পরিমাণে শরীরের তাপ উৎপন্ন করে তবে এটি বিকাশ করতে পারে। হিট স্ট্রোকের কারণে আপনার শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনক মাত্রায় বেড়ে যায়, সাধারণত 104 ডিগ্রি ফারেনহাইট (40 ডিগ্রি সেলসিয়াস) এর উপরে।

চিকিত্সা না করা তাপ ক্লান্তি (তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতার একটি মাঝারি রূপ) হিট স্ট্রোক হতে পারে। কিন্তু সতর্কতা ছাড়াই হিট স্ট্রোকও হতে পারে। তাপ ক্লান্তি এবং হিট স্ট্রোক একই লক্ষণগুলি ভাগ করে - যেমন মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব এবং দুর্বলতা। কিন্তু একটি মূল পার্থক্য হল তাপ স্ট্রোকের কারণে মস্তিষ্কের কর্মহীনতা (এনসেফালোপ্যাথি) হয়। এর মানে হল আপনি আপনার চিন্তাভাবনা এবং আচরণের পরিবর্তনগুলি অনুভব করছেন - যেমন বিভ্রান্তি, আন্দোলন এবং আগ্রাসন। আপনি পাস আউট হতে পারে.

হিট স্ট্রোক জীবন-হুমকি এবং অবিলম্বে চিকিৎসার প্রয়োজন। আপনার শরীরের তাপমাত্রা যত বেশি থাকবে, আপনার জটিলতা (যেমন অঙ্গের ক্ষতি) বা মৃত্যুর ঝুঁকি তত বেশি।

যদি আপনি বা আপনার আশেপাশের কারো হিট স্ট্রোকের লক্ষণ বা উপসর্গ থাকে, তাহলে অবিলম্বে 911 বা আপনার স্থানীয় জরুরি পরিষেবার নম্বরে কল করুন।

হিট স্ট্রোকের অন্যান্য নামগুলির মধ্যে রয়েছে:

সানস্ট্রোক।

জীবন-হুমকি হাইপারথার্মিয়া।

হিট স্ট্রোকের প্রকারভেদ

দুই ধরনের হিট স্ট্রোক আছে:

ক্লাসিক (-পরিশ্রম) হিট স্ট্রোক আপনার পরিবেশে তাপ (যেমন একটি গাড়ি, বাড়ি বা বাইরের স্থান) আপনার শরীরের নিজেকে ঠান্ডা করার ক্ষমতাকে অভিভূত করে। ক্লাসিক হিট স্ট্রোক সাধারণত 65 বছরের বেশি বয়সী শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের প্রভাবিত করে। এই ধরনের তাপ তরঙ্গের সময় আপনি খবরে শুনে থাকেন।

পরিশ্রমমূলক হিট স্ট্রোক আপনি শারীরিক ক্রিয়াকলাপের (বিপাকীয় তাপ) মাধ্যমে প্রচুর তাপ তৈরি করেন এবং এটি আপনার শরীর পরিচালনা করতে পারে তার চেয়ে বেশি। শারীরিক ক্রিয়াকলাপ এবং গরম আবহাওয়ার মিশ্রণের সময় পরিশ্রমজনিত হিট স্ট্রোক প্রায়শই ঘটে, তবে এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায়ও ঘটতে পারে। এই ধরনের হিট স্ট্রোক সাধারণত তরুণ, সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের প্রভাবিত করে।

লক্ষণ কারণ

হিট স্ট্রোকের লক্ষণ উপসর্গ কি কি?

হিট স্ট্রোকের লক্ষণ এবং উপসর্গগুলির মধ্যে রয়েছে:

উচ্চ অভ্যন্তরীণ (মূল) শরীরের তাপমাত্রা, সাধারণত 104 ডিগ্রি ফারেনহাইট (40 ডিগ্রি সেলসিয়াস) এর বেশি।

আচরণের পরিবর্তনযেমন আন্দোলন বা আগ্রাসন।

ঝাপসা দৃষ্টি।

বিভ্রান্তি।

প্রলাপ।

মাথা ঘোরা।

অজ্ঞান হওয়া (সিনকোপ)

দ্রুত হার্ট রেট (টাকিকার্ডিয়া)

দ্রুত, অগভীর শ্বাস (ট্যাচিপনিয়া)

নিম্ন রক্তচাপ (হাইপোটেনশন)

বমি বমি ভাব এবং বমি।

খিঁচুনি।

ঝাপসা বক্তৃতা।

ত্বকের রঙ পরিবর্তন হয় - হয় ফ্লাশ বা স্বাভাবিকের চেয়ে ফ্যাকাশে।

ত্বক শুষ্ক (ক্লাসিক হিট স্ট্রোক) বা ঘর্মাক্ত (পরিশ্রমজনিত হিট স্ট্রোক)

দুর্বলতা।

এই লক্ষণ এবং উপসর্গগুলির মধ্যে কয়েকটি আপনি নিজের মধ্যে লক্ষ্য করতে পারেনএবং যদি আপনি তা করেন, তাহলে আপনাকে অবিলম্বে 911 বা আপনার স্থানীয় জরুরি পরিষেবা নম্বরে কল করা উচিত। কিন্তু আপনি যদি বিভ্রান্ত হন বা চেতনা হারিয়ে ফেলেন, তাহলে আপনার জন্য চিকিৎসা সহায়তা নেওয়ার জন্য অন্য কারো প্রয়োজন হবে। এই কারণেই হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলি শেখা এত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু সঠিক নয় তা লক্ষ্য করার জন্য এবং চিকিৎসা পেশাদারদের সতর্ক করার জন্য বাইস্ট্যান্ডাররা প্রায়শই গুরুত্বপূর্ণ।

হিট স্ট্রোক শারীরিক লক্ষণ এবং আপনার চিন্তাভাবনা এবং আচরণের পরিবর্তন ঘটায়।

হিট স্ট্রোক হলে কেমন লাগে?

হিট স্ট্রোকে বমি বমি ভাব, বমি এবং মাথা ঘোরা মত শারীরিক উপসর্গ জড়িত। তবে এটি শারীরিক অস্বস্তির থেকেও বেশি কিছুর কারণ হতে পারে। আপনি বিভ্রান্ত বোধ করতে পারেন বা পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে সমস্যা হতে পারে। অন্যরা লক্ষ্য করতে পারে যে আপনি আপনার স্বাভাবিকের মতো আচরণ করছেন না। কারণ হিট স্ট্রোক (তাপের অসুস্থতার হালকা রূপের বিপরীতে) আপনার মস্তিষ্কের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে, আপনার চিন্তাভাবনা এবং আচরণে পরিবর্তন ঘটায়।

হিট স্ট্রোকের কারণ কী?

হিট স্ট্রোক ঘটে যখন অতিরিক্ত তাপ আপনার শরীরের বিল্ট-ইন সিস্টেমকে ঠাণ্ডা করার জন্য আচ্ছন্ন করে। অতিরিক্ত তাপ থেকে আসতে পারে:

আপনার শরীরের বাইরে। এটি পরিবেশগত তাপ। গ্রীষ্মের দিনে আপনাকে ঘিরে থাকা গরম, আর্দ্র বাতাস বা একটি আবদ্ধ ঘরে উষ্ণ, ঠাসা বাতাসের কথা ভাবুন।

আপনার শরীরের ভিতরে. এই তাপ আপনার বিপাক শারীরিক কার্যকলাপ সময় উৎপন্ন হয়. এটিকে আপনি অভ্যন্তরীণ শরীরের তাপ বলতে পারেন।

এগুলি একই সময়ে ঘটতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি গরমের দিনে দৌড়াতে যেতে পারেন।

সাধারণত, আপনার শরীর অতিরিক্ত তাপ থেকে মুক্তি পেতে পারেপ্রাথমিকভাবে ঘামের মাধ্যমেএবং শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা পুনরুদ্ধার করতে পারে। যখন আপনার ত্বক থেকে ঘাম বাষ্পীভূত হয়, তখন এটি আপনার ত্বক এবং নীচের টিস্যুগুলিকে ঠান্ডা করে। এই প্রক্রিয়াটি থার্মোরগুলেশনের জন্য অত্যাবশ্যক, বা আপনার শরীরের একটি ধ্রুবক অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বজায় রাখার ক্ষমতা যা খুব গরম বা খুব ঠান্ডা নয়।

কিন্তু যদি আপনার চারপাশের বাতাস খুব গরম হয় বা আপনার বিপাক অনেক তাপ উৎপন্ন করে, তাহলে আপনার শরীর তা ধরে রাখতে কষ্ট করতে পারে। প্রচণ্ড তাপ যেমন আপনার বাড়ির A/C ইউনিটকে চাপ দিতে পারে, তেমনি এটি আপনার শরীরের প্রাকৃতিক কুলিং সিস্টেমকেও ওভারট্যাক্স করতে পারে, যা হিট স্ট্রোকের দিকে পরিচালিত করে। 

পোষ্টটি আমার মাধ্যমে সম্পাদন করা এবং Cleveland Clinic এর ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা  । 

হিট স্ট্রোক থেকে নিজে বাঁচুন এবং অপরকে সতর্ক করুন, ধন্যবাদ ।


এরদোগানের জয়ের রহস্য আর বিরোধী দলের পরাজয়

এরদোগান কে পশ্চিমা বিশ্বের কেউ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট হিসেবে চায়নি, কারণ এরদোগান ইসলামপন্থী এবং তাদের পুরোপুরি অনুগত নয়। 
তারা বিরোধী দল সিএইচপি কে ক্ষমতায় দেখতে চায় যারা পুরোপুরি সেক্যুলার এবং ওয়েস্টার্ন দের সম্পূর্ণ অনুগত। সিএইচপি এর সবচেয়ে বড়ো কুখ্যাতি হল তারা ইসলামবিরোধী কামাল আতাতুর্কের দল। আর কামাল আতাতুর্কের শাসনামল সম্পর্কে সবাই কমবেশি জানেন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আদাজল খেয়ে নেমেছিলেন এরদোগান কে হারানোর জন্য। 
মিলিটারি স্টেপ নেওয়া ছাড়া এমন কোনো স্টেপ নেওয়া বাদ রাখেন নি যাতে করে এরদোগান বেকায়দায় পড়ে যায়, এরদোগানের জনপ্রিয়তা কমে যায়, এরদোগান যেনো নির্বাচনে হেরে যায়। এখন এরদোগান তো আর আমাদের দেশের আওয়ামী লীগ আর বিএনপির এর মতো দুর্নীতিবাজ না যে জনগণ তাকে ভোট না দিয়ে হারিয়ে দেবে। 



তাই এরদোগানের জনসমর্থন কমিয়ে দেয়ার জন্য তুরস্কের উপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে। তাতে করে তুরস্কের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তুর্কি মুদ্রা লিরার দাম কমে যায়, দ্রব্যমূল্য অনেক বেড়ে যায়। সাধারণ মানুষ বিশেষ করে দরিদ্র আর মধ্যবিত্তরা অনেক ভোগান্তিতে পড়ে যায়। 
এর ফলে বিগত ৫ টি নির্বাচনে ভরাডুবি হওয়া আতাতুর্কের সিএইচপি এবার সাহস সঞ্চার করে এরদোগান কে হারানোর জন্য সকল সেক্যুলার দল মিলে জোট করা হয়, যেনো মুদ্রাস্ফীতি আর দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি এবং ভুমিকম্প ইসু কে কাজে লাগিয়ে এরদোগান কে হারানোর জন্য। 
কিন্তু সব ষড়যন্ত্র নস্যাত করে দিয়ে অবশেষে বিগত ৫ টি নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় এবারো বিজয়ী হলেন রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তো এরদোগান কিভাবে এতো কঠিন চাপ থেকে উতরে গেলেন এবং বিরোধী দল কেন এত সহজ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারলে না সেটাই ব্যাক্ষা করছি।

১. ধর্মীয় স্বাধীনতা: 

এটা সবাই জানে যে কামাল আতাতুর্কের দল ক্ষমতায় থাকতে ইসলাম কে এক প্রকার নিষিদ্ধই করে দিয়েছিল। এরদোগান আসার আগ পর্যন্ত প্রায় দীর্ঘ ৯০ বছর এভাবেই চলছিলো। যদিও এরদোগান ক্ষমতায় আসার আগেও দুই জন এই পদক্ষেপ নিতে চেয়েছিল। আদনান মেন্দিরেস আরবীতে জন প্রচলন করার কারণে তাকে সেনাবাহিনী ক্ষমতাচ্যুত করে ফাঁসি দেয়। এরপর নিজামুদ্দিন এরবাকানো চেষ্টা করেছিলেন ইসলামী বিধি বিধান পুনরায় চালু করার জন্য। কিন্তু তাকেও সেনাবাহিনী ক্ষমতাচ্যুত করে। এরদোগান ক্ষমতায় এসে শুরুতে সেক্যুলার দের সাথে তাল মিলিয়ে চলে শক্তি সঞ্চয় করে পরে একের পর এক ইসলামী বিধানের উপর বিধিনিষেধ তুলে নেয়। এরদোগানের পূর্বের বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার কথা তুরস্কের ইসলামপ্রিয় জনগণ ভুলে যায়নি। আর এই নির্বাচনে এটাই মূলত অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকা পালন করেছে।

২. মুসলমানদের ঐক্য এবং সেক্যুলারদের বিভক্তি:

বলা হয়ে থাকে তুরস্কের জনগণের ৫০% ইসলামপন্থি অরে বাকি ৫০% সেক্যুলার। তুরস্কের এই ৫০% ইসলামপন্থীদের প্রায় ৯৫% এরদোগান কে ভোট দিয়ে থাকেন। অর্থাৎ তুরস্কের মুসলিমদের মধ্যে বিভক্তি কম বরং ঐক্যই বেশি। অন্য দিকে তুরস্কে সেক্যুলারদের মধ্যে বিভিন্ন দলের বিভক্তি আছে। এবং একেক দলের ভোট ব্যাংক আলাদা। যে কারণে কোন সেক্যুলার দল এককভাবে কখনো সকল সেক্যুলার দের ভোট পায় না। অর্থাৎ সেক্যুলা দের ভোট ভিন্ন ভিন্ন সেক্যুলার দলে বিভক্ত।

৩. তুর্কি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা: 

এরদোয়ান তুর্কি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করে তুর্কি দের মধ্যে ইউরোপিয়ানদের থেকে আলাদা থাকার একটা ভিত্তি তৈরী করে দিয়েছিলেন। এর আগে তুর্কি দের কোনো কনফিডেন্স ছিলো না। এর আগে অধিকাংশ তুর্কি ভাবত যে তাদের নিজেদের আলাদা জাতি সত্তা বোধ বলে কিছু নেই। ইউরোপিয়ানরা যা বলবে সেটাই সেটাই তাদের জন্য আদর্শ। কিন্তু এরদোগান তুর্কি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করে ইউরোপিয়ান গোলামী করার মানুষিকতা বাদ দিয়ে একটি আত্মমর্যাদা সম্পন্ন জাতি হিসেবে তুর্কিদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন। যেখানে বিরোধী দল ইউরোপিয়ান দের গোলামী করার নীতিতে বিশ্বাসী যেটা তুরস্কের অধিকাংশ মানুষ পছন্দ করে না।

৪. সামরিক শিল্পের উন্নয়ন এবং তরুন ভোটার দের আকৃষ্ট করা: 

এরদোগান তুরুস্কের সামরিক শিল্প কে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন অত্যাধুনিক অস্ত্র ড্রোনে জঙ্গিবিমান জলযান আবিষ্কারের মাধ্যমে তিনি তুরস্ক কে একটি শক্তিশালী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আর নির্বাচন কে সামনে রেখেও তিনি আগামীর জন্য আরো উন্নত সমরাস্ত্র প্রদর্শন করেছেন। যা দেখে তুরস্কের তরুণ ভোটাররা আকৃষ্ট হয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধী দল বলেছেন যে তুরস্কের সকল সমরাস্ত্র এগুলো সব নকল, প্লাস্টিকের আর তুরস্কের শক্তিশালী সমরাস্ত্রের কোনো প্রয়োজন নেই। যেটা তুরস্কের তরুণ জনগণ ভালোভাবে নেয়নি। কেননা তুরস্কের তরুণ ভোটাররা তুরস্ক কে একটি শক্তিশালী দেশ হিসেবে দেখতে চান। বিরোধী দলের সামরিক দিক দিয়ে অনিহার কারনে তুরস্ককে শক্তিশালী অবস্থানে দেখতে চাওয়া তুরস্কের তরুণ জনগণের মন জয় করতে পারেনি বিরোধী দল।

৫. বিনামূল্যে গ্যাস দেওয়া: 

তুরস্কের নিজ ভূখণ্ডে পাওয়া প্রাকৃতিক গ্যাস এরদোগান বিনামূল্যে সে দেশের মানুষকে দেন। যেটা তার জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে সমর্থ হয়। অন্যদিকে ফ্রি গ্যাস দেওয়া নিয়েও বিরোধী দল আপত্তিকর বক্তব্য দেয়। বিরোধী দল দাবি করে যে দেশে কোন গ্যাস ক্ষেত্র পাওয়া যায়নি। এগুলো রাশিয়ান গ্যাস। রাশিয়া এরদোগান কে ক্ষমতায় রাখার জন্য এই গ্যাস দিয়েছেল। আর এটাও সে দেশের মানুষ ভালোভাবে নেয়নি।

৬. দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেতন বৃদ্ধি: 

তুরস্কে দ্রব্যমূল্য অনেক বেড়েছে এটা সত্য কিন্তু এরদোগান তো বসে থাকার মানুষ নয়। এরদোগান দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সাথে সাথে বিভিন্ন সময় সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন বাড়িয়েছে। আর তুরস্কের আইন হলো সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন বাড়লে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেতন একই হারে বাড়াতে হবে। আর নির্বাচনের ঠিক ৫ দিন আগে তিনি সরকারি চাকুরিজীবীদের প্রায় ৪৫% বেতন বাড়িয়ে দেন। ফলে বেসরকারি চাকরিতেও বেতন বাড়ছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিনিয়ত বেতন বাড়ানোর জন্য তুরস্কের মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমেছে। অন্যদিকে বিরোধী দল অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বিশেষ কোনো পথ দেখাতে পারেনি। যা দিয়েছে সেগুলোও অবাস্তব, যা তুরস্কের মানুষ বিশ্বাস করেনি। যেমন কেমাল বলেছে ক্ষমতায় এলে মাত্র ছয় মাসের মধ্যে তুরস্কের মানুষদেরকে ইউরোপীয়ান দেশে বিনামূল্যে ভ্রমনের ব্যবস্থা করবে। যেটা অকল্পনীয়। 

৭. বিচ্ছিন্নতাবাদী কুর্দিদের দমন:

এরদোগান ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিচ্ছিন্নতাবাদী কুর্দিদের দমন করে আসছেন, যেখানে বিরোধী দল কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথেই বেশি খাতির লাগিয়েছেন যেটা তুরস্কের জনগণ ভালোভাবে নেয়নি। এমনকি কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী দলের পাশে থাকার প্রতিশ্রতি দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয় যা গোটা তুরস্কে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয় এবং বিরোধী দল কে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়।

৮. পশ্চিমা মিডিয়ার এরদোগান বিরোধী প্রচারণা: 

তুরস্কের অধিকাংশ মানুষ আমেরিকা সহ পশ্চিমাদের পছন্দ করে না। আর পশ্চিমা মিডিয়া শুরু থেকে এরদোগানের বিরুদ্ধে তথ্য সন্ত্রাস চালালে তুরস্কের জনগণ বুঝতে পারে যে পশ্চিমারা তুরস্কের ভালো চায় না তারই যদি এরদোগানের বিরোধিতা করে তাহলে এর্দোগানই তুরস্কের প্রকৃত শাসক।

৯. ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলাঃ 

এবারের ভুমিকম্পকে সেক্যুলারগন আশির্বাদ হিসেবে মনে করেছিল। তারা ভেবেছিল যে এরদোয়ান ভুমিকম্প পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে পারবে না। আর তাই এরদোয়ান কে চাপে ফেলে সহজেই হারিয়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু এরদোয়ান খুব দ্রুততম সময়ে অসংখ্য বাড়ি নির্মান শেষ করে ভুমিকম্পে বাড়ি হারানো মানুষের হাতের নতুন বাড়ির চাবি বুঝিয়ে দেন। যার ফলাফল একদম নগদে। অর্থাৎ ভুমিকম্প কবলিত এলাকার প্রায় সব জায়গায় এরদোয়ান জিতেছে। যা পশ্চিমা এবং সেক্যুলারদের বিস্মিত করেছে।

সার্বিকভাবে এরদোগান অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে জয় ছিনিয়ে আনলেন। জো বাইডেন অনেক চেষ্টায় করেছিলেন। কিন্তু সফল হলেন না। আর এরদোগানের এই জয় মুসলিম উম্মার এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছেন।
আগামীতে আমেরিকার একমুখি বিশ্ব ব্যবস্থা চূড়ান্তভাবে হুমকিতে পড়লো। চীন রাশিয়ার সাথে মুসলিম বিশ্বের পাওয়ারফুল দেশ হিসেবে তুরস্কের যোগদান করে সেটা আরো ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। তখন আমেরিকার সাথে চীন রাশিয়ার দ্বন্দ্ব আরো বাড়বে। অন্যদিকে মধ্য প্রাচ্যের আরব দেশগুলো ও এরদোগানের সাথে চলতে আগ্রহী। আশা করি এরদোগান আরব দেশগুলো সাথেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করবেন। 

ফ্যাট বাড়বে না কিন্তু শক্তি বর্ধন করবে এমন কিছু খাবার

দৈহিক শক্তি বাড়াতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পন্ন ওষুধি কৌশল এবং মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা এখন প্রায় সেকেলে হয়ে পড়েছে। আজকাল এই শক্তি বাড়াতে প্রাকৃতিকভাবেই দৈহিক শক্তি বর্ধক খাদ্যই অনেক বেশি কার্যকরী হিসেবে বিবেচিত হয়।
ঘরে-বাইরে যারা কঠোর পরিশ্রম করেন তাদের ঠিকমত বিশ্রাম নেয়া প্রয়োজন। শুধু বিশ্রাম নিলেই হবে না খেতে হবে পুষ্টিকর খাবার। কারণ আপনি কঠোর পরিশ্রম করছেন কিন্তু শরীরের যত্ন নিচ্ছেন না। তাহলে কিন্তু আপনি কাজ করার সক্ষমতা হারাবেন। অবশ্যই শরীরের যত্ন নিতে হবে। আর খেতে হবে এমন খাবার, যা খেলে ফ্যাট বাড়বে না, কিন্তু শক্তি বর্ধন করবে।
সারাদিন কাজের শেষে ক্লান্ত লাগা খুবই স্বাভাবিক। তবে এমনিতেই সারাক্ষণ দুর্বল লাগে। আবার কোনও কাজে শক্তি না থাকে তাহলে কিন্তু সমস্যা। মনে রাখবেন আপনার শরীরে শক্তি বাড়াতে খাবার মূখ্য ভূমিকা পালন করে। খাবার খাওয়া ঠিক থাকলে শরীরের শক্তি বাড়বে।
গবেষণায় দেখা গেছে, খাবার মেনুতে নিয়মিত দুধ, ডিম এবং মধু রাখলে এবং নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করলে দৈহিক দুর্বলতায় ভুগবেন না। এছাড়া শক্তি বাড়াতে আরও যা খাওয়া দরকার :

রসুন-



দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। স্মরণাতীতকাল থেকেই নারী পুরুষ উভয়েরই দৈহিক শক্তি বাড়াতে রসুনের পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা সর্বজনস্বীকৃত। রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।

পালং শাক-


পালং শাক শক্তির ভালো উৎস। পালং শাককে থাকা আয়রন, পটাশিয়াম শরীরে শক্তির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

ডিম-

দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে এক অসাধারণ খাবার ডিম। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার দুর্বলতার সমাধান হবে।

শরীরের শক্তি বাড়াতে ডিম খেতে পারেন। ডিম প্রোটিণ সমৃদ্ধ খাবার। যা আপনার শরীরে শক্তি বাড়াতে সাহায্যে করে।

চকলেট-


চকলেটে রয়েছে ফেনিলেথিলামিন (পিইএ) ও সেরোটোনিন। এ দুটি পদার্থ আমাদের মস্তিষ্কেও রয়েছে। এগুলো দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। পিইএর সঙ্গে অ্যানান্ডামাইড মিলে অরগাজমে পৌঁছাতে সহায়তা করে।

ভিটামিন সি জাতীয় ফল-



দৈহিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল দৈহিক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী।

দুধ-




যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য দৈহিক শক্তির উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি দৈহিক শক্তির হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।।

মাংস-

গরুর মাংসে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। কম ফ্যাটযুক্ত মাংস খান। যেমন কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।

বাদাম-

বাদাম শক্তির ভালো উৎস। আখরোট, কাজু বা পেস্তা বাদাম খেতে পারেন।

ডাল-

শরীরের দুর্বলতা কাটাতে ডাল খেতে পারেন। ডালে থাকা প্রোটিন শরীরের শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

কলা-

কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম দৈহিক শক্তি বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও। যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতেও সহায়ক। আর সর্বোপরি কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা আপনার দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে ক্লান্তি আসবে না।

সোর্স - গুগল 

You can read more

বিবাহ সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ লেখা : প্রতিটি ছেলে মেয়ের উপযুক্ত বয়সে বিবাহ হওয়া উচিত! অন্যথায়??

যৌন চাহিদা হচ্ছে ক্ষুধার মতো ! ক্ষুধা লাগলে যেমন খাবার প্রয়োজন হয় , তেমনি নারী পুরুষ একটি নির্দিষ্ট বয়সে উপনীত হলে তাদের...

Popular Post