কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণ কী?

  


কিডনি রোগের কারণ কী
?

কিডনি রোগের কারণে একজন মানুষের সারা জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তবে বর্তমান বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণ এবং প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া একান্ত প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে এই রোগের অবস্থা নির্ণয় করা হলে স্বাস্থ্য রক্ষার্থে সুখী জীবনযাপনের উচ্চ সম্ভাবনা পেতে পারেন

প্রাথমিক সচেতনতা এবং যত্ন আপনার কিডনির কার্যকারিতা এবং জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন আনতে পারে। এছাড়াও আপনার এবং আপনার আত্মিয়স্বজনদের জন্য সতর্কতা লক্ষণ এবং কিডনির কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এ রোগের লক্ষণ এবং প্রতিকারগুলি সম্পর্কে-

কিডনি রোগের কারণ

ডায়াবেটিস: ডায়াবেটিস এই রোগের প্রধান কারণ। উচ্চ রক্তে শর্করার মাত্রা কিডনির ফিল্টারিং ইউনিটগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যা এ রোগের দিকে পরিচালিত করে

উচ্চ রক্তচাপ: উচ্চ রক্তচাপ সময়ের সাথে সাথে কিডনির ছোট রক্তনালীগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে

জেনেটিক রোগ: কিছু জেনেটিক রোগ, যেমন পলিসিস্টিক কিডনি রোগ, কিডনিতে অনেক সিস্টের বিকাশ ঘটাতে পারে

সংক্রমণ: ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাল সংক্রমণ কিডনিতে প্রদাহ এবং দাগ সৃষ্টি করতে পারে, যা কিডনি ব্যর্থতার দিকে পরিচালিত করে

ওষুধ: কিছু ওষুধ, যেমন অ্যান্টিবায়োটিক এবং নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ওষুধ কিডনির ক্ষতি করতে পারে

কিডনিতে পাথর: কিডনিতে পাথর কিডনিতে টিউবকে ব্লক করতে পারে, যার ফলে কিডনির ক্ষতি হয়

অস্বাস্থ্যকর ডায়েট: একটি অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, যেমন প্রক্রিয়াজাত খাবার, লবণ এবং চিনির পরিমাণ বেশি ঝুঁকি বাড়াতে পারে

কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণ

>> পা, গোড়ালি এবং পায়ে ফোলাভাব
>>
ঘন ঘন প্রস্রাব করা
>>
ক্লান্তি এবং দুর্বলতা অনুভব করা
>>
মনোনিবেশ করতে অসুবিধা
>>
বমি বমি ভাব
>>
ত্বকের চুলকানি
>>
পেটে ব্যথা
>>
শ্বাসকষ্ট
>>
ক্ষুধা হ্রাস
>>
মুখের স্বাদ
>>
প্রস্রাবে রক্ত
>>
প্রস্রাব গাঢ় লাল, বাদামী বা চা-রঙের মত
>>
পিঠের পাশের নিচের দিকে ব্যথা
>>
উচ্চ রক্তচাপ

সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি

এই ব্লগের সকল কনটেন্ট লেখকের নিজস্ব এবং বাংলাদেশ কপিরাইট আইন, ২০০০ (সংশোধিত) দ্বারা সুরক্ষিত

অনুমতি ছাড়া কপি, পুনঃপ্রকাশ বা ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই পূর্বানুমতি যথাযথ ক্রেডিট প্রদান করতে হবে


Source: https://qr.ae/pF5GOt

 

কিডনিতে পাথর হলে করণীয়: যা যা করবেন

কিডনিতে পাথর হলে করণীয়: যা যা করবেন



১. দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

  • কিডনিতে পাথরের লক্ষণ দেখা দিলে ইউরোলজিস্ট বা নেফ্রোলজিস্টের শরণাপন্ন হন
  • নিজে নিজে ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন

২. পর্যাপ্ত পানি পান করুন

  • প্রতিদিন ২.৫–৩ লিটার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পানি পান করুন
  • বেশি পানি পান করলে ছোট পাথর প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে আসতে পারে

৩. প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করান

  • আল্ট্রাসনোগ্রাম (USG)
  • CT Scan (প্রয়োজনে)
  • প্রস্রাব পরীক্ষা
  • রক্ত পরীক্ষা (কিডনির কার্যকারিতা যাচাই)

৪. চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ নিয়মিত সেবন করুন

  • ব্যথা কমানোর ওষুধ
  • সংক্রমণ থাকলে অ্যান্টিবায়োটিক
  • পাথর বের হতে সহায়ক ওষুধ (যদি প্রয়োজন হয়)

৫. খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন

  • অতিরিক্ত লবণ কম খান
  • কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে চলুন
  • অতিরিক্ত প্রাণিজ প্রোটিন (গরু, খাসি, লাল মাংস) কম খান
  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অক্সালেটসমৃদ্ধ খাবার (পালং শাক, বিট, চকলেট, বাদাম ইত্যাদি) নিয়ন্ত্রণ করুন

৬. প্রস্রাব আটকে রাখবেন না

  • সময়মতো প্রস্রাব করুন
  • দীর্ঘ সময় প্রস্রাব আটকে রাখলে জটিলতা বাড়তে পারে

৭. ব্যথা বেশি হলে বিশ্রাম নিন

  • প্রচণ্ড ব্যথা হলে ভারী কাজ এড়িয়ে চলুন
  • প্রয়োজন হলে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিন

৮. বড় পাথর হলে বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে

  • ESWL (শক ওয়েভের মাধ্যমে পাথর ভাঙা)
  • ইউরেটেরোস্কোপি (URS)
  • PCNL
  • প্রয়োজন হলে অস্ত্রোপচার

৯. নিয়মিত ফলো-আপ করুন

  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা করান
  • পাথর সম্পূর্ণ বের হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করুন

 

কিডনিতে পাথরের সাধারণ লক্ষণ

  • কোমরের এক পাশে বা পিঠে তীব্র ব্যথা
  • ব্যথা তলপেট বা কুঁচকিতে ছড়িয়ে পড়া
  • প্রস্রাবে রক্ত দেখা যাওয়া
  • প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া
  • ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ
  • বমি বমি ভাব বা বমি
  • জ্বর ও কাঁপুনি (সংক্রমণ থাকলে)

 

কখন জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে যাবেন?

  • অসহনীয় ব্যথা হলে
  • প্রস্রাব একেবারে বন্ধ হয়ে গেলে
  • উচ্চ জ্বর বা কাঁপুনি দেখা দিলে
  • বারবার বমি হলে
  • প্রস্রাবে অতিরিক্ত রক্ত গেলে

 

কিডনিতে পাথর প্রতিরোধের উপায়

  • প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন
  • অতিরিক্ত লবণ ও কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন
  • স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন
  • নিয়মিত ব্যায়াম করুন
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করবেন না
  • বছরে অন্তত একবার কিডনি পরীক্ষা করান, বিশেষ করে আগে পাথর হয়ে থাকলে

উপসংহার

কিডনিতে পাথর একটি সাধারণ হলেও অবহেলা করলে গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা, সঠিক পরীক্ষা করানো এবং নিয়মিত চিকিৎসা অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যথাযথ জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে ভবিষ্যতে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকিও অনেকাংশে কমানো সম্ভব

 

সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি

এই ব্লগের সকল কনটেন্ট লেখকের নিজস্ব এবং বাংলাদেশ কপিরাইট আইন, ২০০০ (সংশোধিত) দ্বারা সুরক্ষিত

অনুমতি ছাড়া কপি, পুনঃপ্রকাশ বা ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই পূর্বানুমতি যথাযথ ক্রেডিট প্রদান করতে হবে

 

হঠাৎ ব্রণ বেড়ে যাচ্ছে? সাবধান—আপনার ব্যবহৃত ক্রিমই হতে পারে কারণ! পড়ুন বিস্তারিত

হঠাৎ ব্রণ বেড়ে যাচ্ছে? সাবধানআপনার ব্যবহৃত ক্রিমই হতে পারে কারণ!

একজন ভদ্রমহিলা একদিন আতঙ্কিত অবস্থায় চেম্বারে এলেন। তাঁর মুখজুড়ে বড় বড় ব্রণ, লালচে ভাব এবং তীব্র প্রদাহযা তাঁকে শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভীষণভাবে ভুগাচ্ছিল।

আলাপচারিতায় জানা গেল, কিছুদিন আগে ত্বকের দাগ (মেছতা) দূর করার জন্য তিনি একটিহারবালনামে পরিচিত ক্রিম ব্যবহার শুরু করেছিলেন। শুরুতে তাঁর ত্বক বেশ মসৃণ উজ্জ্বল মনে হচ্ছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যায়মুখে বড় বড় ব্রণ দেখা দেয়, এবং লক্ষণীয় বিষয় হলোযেসব জায়গায় তিনি ক্রিমটি ব্যবহার করেছিলেন, ঠিক সেখানেই ব্রণ বেশি হয়েছে।

 

এই সমস্যাটি আসলেস্টেরয়েড-জনিত ব্রণ”—যা অনিয়ন্ত্রিতভাবে কিছু নির্দিষ্ট ক্রিম ব্যবহারের কারণে হয়ে থাকে।

 

কোন ধরনের ক্রিম ব্রণ বাড়িয়ে দিতে পারে?

ত্বকের জন্য ক্ষতিকর কিছু সাধারণ ক্রিম বা প্রসাধনী হলো:

- স্টেরয়েডযুক্ত ক্রিম

- দ্রুত ফর্সা করার নামে বাজারজাত তথাকথিতহারবালক্রিম

- ট্রিপল কম্বিনেশন ফেয়ারনেস ক্রিম

- অতিরিক্ত তেলযুক্ত বা ভারী কসমেটিকস

- পারদ বা ভেজালযুক্ত প্রসাধনী

- ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহৃত হাইড্রোকুইনোন জাতীয় ক্রিম

🚫 কেন এই ধরনের ক্রিম ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ?


এইসব ক্রিম ত্বকের ওপর নানা ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে:

- ত্বকের রন্ধ্র বন্ধ করে ব্রণ সৃষ্টি করে

- ত্বককে পাতলা সংবেদনশীল করে তোলে

- হঠাৎ করে ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যায়

- লালচে ভাব প্রদাহ তৈরি করে

- দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী দাগ রেখে যেতে পারে

- ত্বকের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট করে দেয়

 

🌿 কীভাবে এই সমস্যা থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন?

সুস্থ ত্বক বজায় রাখতে কিছু সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস গড়ে তুলুন:

- চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ক্রিম ব্যবহার করবেন না

- অজানা বা অতিরঞ্জিত বিজ্ঞাপনেরহারবাল ফেয়ারনেস প্রোডাক্ট এড়িয়ে চলুন

- নন-কমেডোজেনিক (যা রন্ধ্র বন্ধ করে না) কসমেটিকস ব্যবহার করুন

- দিনে অন্তত দুইবার হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার রাখুন

- নিয়মিত SPF 30 বা তার বেশি সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন

- অতিরিক্ত তেলযুক্ত জাঙ্ক ফুড কমিয়ে দিন

- পর্যাপ্ত পানি পান করুন

- ব্রণ খোঁটাখুঁটি করা থেকে বিরত থাকুন

 

💊 ব্রণের চিকিৎসায় কী কার্যকর?

সঠিক চিকিৎসার জন্য অবশ্যই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রয়োজন অনুযায়ী নিম্নোক্ত উপাদানগুলো ব্যবহৃত হতে পারে:

- Benzoyl Peroxide

- Adapalene

- Azelaic Acid

- Salicylic Acid

- প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক (টপিক্যাল বা ওরাল)

- গুরুতর ক্ষেত্রে বিশেষ ওষুধ (শুধুমাত্র ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে)

🔍 শেষ কথা

ত্বকের যত্নে শর্টকাট নেওয়ার প্রবণতা অনেক সময় বিপদ ডেকে আনে। দ্রুত ফল পাওয়ার আশায় অজানা বা অপ্রমাণিত ক্রিম ব্যবহার না করে, সঠিক চিকিৎসা এবং নিরাপদ পদ্ধতি অনুসরণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

👉 মনে রাখুন:

সুন্দর ত্বক পেতে তাড়াহুড়ো নয়সঠিক যত্ন আর সচেতন সিদ্ধান্তই আসল চাবিকাঠি।

 

এই ব্লগের সকল কনটেন্ট লেখকের নিজস্ব এবং বাংলাদেশ কপিরাইট আইন, ২০০০ (সংশোধিত) দ্বারা সুরক্ষিত।

অনুমতি ছাড়া কপি, পুনঃপ্রকাশ বা ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই পূর্বানুমতি যথাযথ ক্রেডিট প্রদান করতে হবে।

বিবাহ সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ লেখা : প্রতিটি ছেলে মেয়ের উপযুক্ত বয়সে বিবাহ হওয়া উচিত! অন্যথায়??

যৌন চাহিদা হচ্ছে ক্ষুধার মতো!

ক্ষুধা লাগলে যেমন খাবার প্রয়োজন হয় , তেমনি নারী পুরুষ একটি নির্দিষ্ট বয়সে উপনীত হলে তাদের যৌন চাহিদা সৃষ্টি হয়

 


এটা আল্লাহর একটি সৃষ্টি। তাই প্রতিটি ছেলে মেয়ের উপযুক্ত বয়সে বিবাহ হওয়াটাই শ্রেয়।

কিন্তু আমাদের সমাজে পড়াশোনার নামে , ক্যারিয়ার গড়ার নামে উপযুক্ত সময় থেকে অনেক পরে ছেলে-মেয়েদের বিবাহ দেয়া হয়।

ফলে যৌন চাহিদার বর্শবর্তি হয়ে যেনা ব্যভিচারে পা বাড়ায় যুবক যুবতীরা

আর এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক কারণ আপনি যদি একটি বিড়াল পালেন , আর তাকে খেতে না দেন তাহলে সুযোগ পেলেই বিড়াল আপনার হাড়ির খাবার চুরি করবে

অভিভাবকরা ইচ্ছে করেই ছেলেমেয়ের বিয়ে দেরীতে দিচ্ছে , সুতরাং যেনা তো হবেই আপনার মেয়ে অন্য ছেলের সাথে তো পালাবেই এটা আপনারই কর্মফল

সরকারি বিধান মোতাবেকও যদি একজন নারীর বিয়ের বয়স ১৮ বছর এবং একজন পুরুষের বিয়ের বয়স ২১ বছর হয় তারপরও অনেক অভিভাবকেরা ছেলের বয়স নিয়ে গেছে ৩০/৩৫ এবং মেয়ের বয়স নিয়ে গেছে ২৫/২৮

অথচ ইসলামিক রাষ্ট্রে ছেলে মেয়েদের এত দেরীতে বিবাহ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই

অভিভাবকের কাছে এখন বিবাহ হয়ে গেছে কঠিন তাই যেনা হয়েছে সহজ

এর জন্য এই সমস্ত সহীহ দ্বীনহীন অভিভাবকরাই দায়ী!

আল্লাহ্ প্রতিজ্ঞাও করেছেনবিয়ে করলেই তোমাদের ধনী করে দিবো।

তবুও মেয়ে বিয়ে দেয়ার সময় কেবলই চাকুরীজীবী ছেলে খোজাটা মূলত আল্লাহ্ উপর অনির্ভরশীলতা ইঙ্গিত।

আমি তো মনে করি,

একটা ভালো চাকুরী পূর্বশর্তই হচ্ছেবিয়ে

কেননা, তখন তাকে রিজিক প্রদান করার দায়িত্ব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা নিয়ে নেন।

পড়ুন সেই মহাপবিত্র আয়াতে কারীমা

” ﻭﺃﻧﻜﺤﻮﺍ ﺍﻻﻳﺎﻣﻲ ﻣﻨﻜﻢ ﻭ ﺍﻟﺼﺎﻟﺤﻴﻦ ﻣﻦ ﻋﺒﺎﺩﻛﻢ ﻭ ﺇﻣﺎﺋﻜﻢ ﺇﻥ ﻳﻜﻮﻧﻮﺍ ﻓﻘﺮﺍﺀ ﻳﻐﻨﻬﻢ ﺍﻟﻠﻪ “

(তোমাদের মধ্য হতে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ দিয়ে দাও এবং দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরকেও। তারা যদি নিঃস্বও হয়ে থাকেন তবে স্বয়ং আল্লাহ্ তাকে ধনী বানিয়ে দেবেন)

সূরা নুর। আয়াতঃ ৩২।

অবশ্য উক্ত আয়াতে বিবাহহীনদের অবিভাবকদেরকেই আল্লাহ্ আদেশ করেছেন। কেননা আল্লাহ্ জানেন, অবিভাবকেরা কি সব চিন্তা করেন।

অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে কেউ বিয়ে করতে চাওয়া সামাজিকভাবে খারাপ চোখে দেখা হয়।

আমাদের সমাজে কেউ কারো বিয়ের কথা শুনলে মানুষ এতাটাই অবাক হয় যে অবৈধভাবে প্রেম ভালোবাসা যেনা করলেও এতোটা অবাক হয়না।

বিষয়টা এখন সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে গেছে,আগে মানুষ প্রেম ভালোবাসার কথা শুনলে অবাক হতো লজ্জা পেত, এখন তার বিপরীত।  কারণেই আজ আমাদের সমাজের এত অধঃপতন।

ছেলে বিয়ে করে মেয়েকে খাওয়াবে কি..!?

আপনার আরেকটা মেয়ে থাকলে তাকে খাওয়াতেন না? তাহলে সমাজকে পাপমুক্ত করার জন্যে নিজের মেয়েকে বিয়ে দিয়ে অন্যের ঘরে তুলে দিয়ে, ছেলেকে বিয়ে করিয়ে অন্যের মেয়েকে ঘরে তুলে নিজের মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি মনে করে অন্যের মেয়েকে খাওয়াতে অসুবিধা কোথায়?

শুধু প্রতিষ্ঠিত ছেলের সাথেই বিয়ে দিতে হবে এই চিন্তা কেন আসবে..?

প্রতিষ্ঠিত বলতে কি বুঝেন আপনি..?

ভুলে যাবেননা মানুষের ভাগ্য" হায়াত মউত এগুলো মানুষের হাতে থাকেনা কখনো বলেও আসেনা।

ধরুন,আজকে আপনি একজন ভালো চাকুরীজীবি প্রতিষ্ঠিত ছেলের সঙ্গে আপনার মেয়েকে বিয়ে দিলেন,দুর্ভাগ্যবশত বিয়ের পরে তার মৃত্যু হলে বা তার চাকুরী চলে গেলো তখন কি করবেন.?

তাই প্রতিষ্ঠিত নয়,একজন ভালো নামাজি দ্বীনদার ছেলে দেখেই বিয়ে দিন,এতে তারা সাময়িক কিছু করতে না পারলেও তাদের দ্বীনদারীত্বের কারনে আল্লাহর রহমত অবধারিত থাকবে, এবং ভাল একটা কিছুর ব্যবস্থা হবে ইনশাআল্লাহ

আর বদবখত,লম্পট, প্রতিষ্ঠিত ছেলে দেখে দিবেনতো বিয়ের পরে পস্তাতে হবে,যতই প্রতিষ্ঠিত হউক আল্লাহর রহমত না থাকলে গজব অবধারিত।

টাকা পয়সা মানুষ্কে সুখ শান্তি এনে দিতে পারেনা।

সুতরাং,আপনার মেয়েকে বিয়ে দিয়ে ছেলেকে বিয়ে করিয়ে সমাজের অসংখ্য ছেলেকে চারিত্রিক শুদ্ধতা নিয়ে বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করুন।নিশ্চই এখন যে ছেলেটা বেকার সেই কয়দিন পর প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করবে। তখন কিন্তু তার চাহিদাও বেড়ে যাবে। প্রতিষ্ঠিত হয়েই যখন বিয়ে করতে হল, তখন ভাল দেখেই বিয়ে করি। তখন দেখা যায় এসকল আপুদের আর বিয়ে হয় না।আবার কোন কোন অবিভাবক লেখা-পড়া শেষ করার আগে বিয়ে দিতে চায়না,ফলে মেয়ের বয়স বেড়ে যায় প্লাস চেহারার লাবন্নতা নষ্ট হয়। বয়স্ক মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চায়না আরো যদি লাবন্নতা হ্রাস পায়,তাহলেতো কথায় নাই।তাই দেখা যায় অনেক আপুদের বিয়ে হচ্ছেনা বলে অবিভাবকদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।কয়েক বছর আগেও যে সকল প্রস্তাব নাকোচ করে দিয়েছি,এখন তাদের হয় বিয়ে হয়েছে তা নাহলে এখন আর তারা আগ্রহী নয়।তো আসুন সবাই বিয়েকে তথা হালালকে সহজ করি এবং প্রেম তথা হারামকে কঠিন করি।

ছেলে-মেয়েকে বিয়ে দিন সাবালক হলেই

আপনি যদি বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার কলুষিত দিকগুলো দেখেন তার অধিকাংশের কারণ মূলত বিয়েতে দেরি করা। তা আপনি বুঝুন আর না- বুঝুনপিতা-মাতা তথা অভিভাবকদের জন্য দুটি দিকে খুবই দায়িত্ববান হওয়া দরকার। সন্তান লালন-পালনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্তানকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেই বিয়ে দিতে হবে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যার কোনো সন্তান জন্ম লাভ করে সে যেন তার সুন্দর নাম রাখে এবং তাকে উত্তম আদব-কায়দা শিক্ষা দেয়। যখন সে বালেগ হয় তখন যেন তার বিবাহ দেয়। যদি সে বালেগ হয় এবং তার বিবাহ না দেয় তাহলে সে কোনো পাপ করলে, সে পাপ তার পিতার উপর বর্তাবে।’ (বায়হাকী, মিশকাত হা/৩১৩৮)

বিবাহের বয়স হওয়ার পর ছেলেমেয়ে যত ধরনের অবৈধ সম্পর্ক,যেনা ব্যভিচার করবে সেই পাপ ছেলেমেয়ের পিতার বা অভিবাকের হবে

অতএব, আপনি আপনার সন্তানকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করতে সুন্দর সমাজ গড়তে আপনার সন্তানকে সামর্থ্য থাকলে বিয়ে দিয়ে দেন তাড়াতাড়ি।

আল্লাহ বলেনঃ চরিত্র রক্ষার জন্য যারা বিয়ে করবে তারা যদি অভাবি হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দিবেন। (সুরা নুর : ৩২)

  

You can read more

কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণ কী?

    কিডনি রোগের কারণ কী ? কিডনি রোগের কারণে একজন মানুষের সারা জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তবে বর্তমান বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ এই...

Popular Post