health tips Bangla লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
health tips Bangla লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

হঠাৎ ব্রণ বেড়ে যাচ্ছে? সাবধান—আপনার ব্যবহৃত ক্রিমই হতে পারে কারণ! পড়ুন বিস্তারিত

হঠাৎ ব্রণ বেড়ে যাচ্ছে? সাবধানআপনার ব্যবহৃত ক্রিমই হতে পারে কারণ!

একজন ভদ্রমহিলা একদিন আতঙ্কিত অবস্থায় চেম্বারে এলেন। তাঁর মুখজুড়ে বড় বড় ব্রণ, লালচে ভাব এবং তীব্র প্রদাহযা তাঁকে শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভীষণভাবে ভুগাচ্ছিল।

আলাপচারিতায় জানা গেল, কিছুদিন আগে ত্বকের দাগ (মেছতা) দূর করার জন্য তিনি একটিহারবালনামে পরিচিত ক্রিম ব্যবহার শুরু করেছিলেন। শুরুতে তাঁর ত্বক বেশ মসৃণ উজ্জ্বল মনে হচ্ছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যায়মুখে বড় বড় ব্রণ দেখা দেয়, এবং লক্ষণীয় বিষয় হলোযেসব জায়গায় তিনি ক্রিমটি ব্যবহার করেছিলেন, ঠিক সেখানেই ব্রণ বেশি হয়েছে।

 

এই সমস্যাটি আসলেস্টেরয়েড-জনিত ব্রণ”—যা অনিয়ন্ত্রিতভাবে কিছু নির্দিষ্ট ক্রিম ব্যবহারের কারণে হয়ে থাকে।

 

কোন ধরনের ক্রিম ব্রণ বাড়িয়ে দিতে পারে?

ত্বকের জন্য ক্ষতিকর কিছু সাধারণ ক্রিম বা প্রসাধনী হলো:

- স্টেরয়েডযুক্ত ক্রিম

- দ্রুত ফর্সা করার নামে বাজারজাত তথাকথিতহারবালক্রিম

- ট্রিপল কম্বিনেশন ফেয়ারনেস ক্রিম

- অতিরিক্ত তেলযুক্ত বা ভারী কসমেটিকস

- পারদ বা ভেজালযুক্ত প্রসাধনী

- ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহৃত হাইড্রোকুইনোন জাতীয় ক্রিম

🚫 কেন এই ধরনের ক্রিম ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ?


এইসব ক্রিম ত্বকের ওপর নানা ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে:

- ত্বকের রন্ধ্র বন্ধ করে ব্রণ সৃষ্টি করে

- ত্বককে পাতলা সংবেদনশীল করে তোলে

- হঠাৎ করে ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যায়

- লালচে ভাব প্রদাহ তৈরি করে

- দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী দাগ রেখে যেতে পারে

- ত্বকের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট করে দেয়

 

🌿 কীভাবে এই সমস্যা থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন?

সুস্থ ত্বক বজায় রাখতে কিছু সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস গড়ে তুলুন:

- চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ক্রিম ব্যবহার করবেন না

- অজানা বা অতিরঞ্জিত বিজ্ঞাপনেরহারবাল ফেয়ারনেস প্রোডাক্ট এড়িয়ে চলুন

- নন-কমেডোজেনিক (যা রন্ধ্র বন্ধ করে না) কসমেটিকস ব্যবহার করুন

- দিনে অন্তত দুইবার হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার রাখুন

- নিয়মিত SPF 30 বা তার বেশি সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন

- অতিরিক্ত তেলযুক্ত জাঙ্ক ফুড কমিয়ে দিন

- পর্যাপ্ত পানি পান করুন

- ব্রণ খোঁটাখুঁটি করা থেকে বিরত থাকুন

 

💊 ব্রণের চিকিৎসায় কী কার্যকর?

সঠিক চিকিৎসার জন্য অবশ্যই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রয়োজন অনুযায়ী নিম্নোক্ত উপাদানগুলো ব্যবহৃত হতে পারে:

- Benzoyl Peroxide

- Adapalene

- Azelaic Acid

- Salicylic Acid

- প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক (টপিক্যাল বা ওরাল)

- গুরুতর ক্ষেত্রে বিশেষ ওষুধ (শুধুমাত্র ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে)

🔍 শেষ কথা

ত্বকের যত্নে শর্টকাট নেওয়ার প্রবণতা অনেক সময় বিপদ ডেকে আনে। দ্রুত ফল পাওয়ার আশায় অজানা বা অপ্রমাণিত ক্রিম ব্যবহার না করে, সঠিক চিকিৎসা এবং নিরাপদ পদ্ধতি অনুসরণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

👉 মনে রাখুন:

সুন্দর ত্বক পেতে তাড়াহুড়ো নয়সঠিক যত্ন আর সচেতন সিদ্ধান্তই আসল চাবিকাঠি।

 

এই ব্লগের সকল কনটেন্ট লেখকের নিজস্ব এবং বাংলাদেশ কপিরাইট আইন, ২০০০ (সংশোধিত) দ্বারা সুরক্ষিত।

অনুমতি ছাড়া কপি, পুনঃপ্রকাশ বা ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই পূর্বানুমতি যথাযথ ক্রেডিট প্রদান করতে হবে।

ফ্যাট বাড়বে না কিন্তু শক্তি বর্ধন করবে এমন কিছু খাবার

দৈহিক শক্তি বাড়াতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পন্ন ওষুধি কৌশল এবং মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা এখন প্রায় সেকেলে হয়ে পড়েছে। আজকাল এই শক্তি বাড়াতে প্রাকৃতিকভাবেই দৈহিক শক্তি বর্ধক খাদ্যই অনেক বেশি কার্যকরী হিসেবে বিবেচিত হয়।
ঘরে-বাইরে যারা কঠোর পরিশ্রম করেন তাদের ঠিকমত বিশ্রাম নেয়া প্রয়োজন। শুধু বিশ্রাম নিলেই হবে না খেতে হবে পুষ্টিকর খাবার। কারণ আপনি কঠোর পরিশ্রম করছেন কিন্তু শরীরের যত্ন নিচ্ছেন না। তাহলে কিন্তু আপনি কাজ করার সক্ষমতা হারাবেন। অবশ্যই শরীরের যত্ন নিতে হবে। আর খেতে হবে এমন খাবার, যা খেলে ফ্যাট বাড়বে না, কিন্তু শক্তি বর্ধন করবে।
সারাদিন কাজের শেষে ক্লান্ত লাগা খুবই স্বাভাবিক। তবে এমনিতেই সারাক্ষণ দুর্বল লাগে। আবার কোনও কাজে শক্তি না থাকে তাহলে কিন্তু সমস্যা। মনে রাখবেন আপনার শরীরে শক্তি বাড়াতে খাবার মূখ্য ভূমিকা পালন করে। খাবার খাওয়া ঠিক থাকলে শরীরের শক্তি বাড়বে।
গবেষণায় দেখা গেছে, খাবার মেনুতে নিয়মিত দুধ, ডিম এবং মধু রাখলে এবং নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করলে দৈহিক দুর্বলতায় ভুগবেন না। এছাড়া শক্তি বাড়াতে আরও যা খাওয়া দরকার :

রসুন-



দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। স্মরণাতীতকাল থেকেই নারী পুরুষ উভয়েরই দৈহিক শক্তি বাড়াতে রসুনের পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা সর্বজনস্বীকৃত। রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।

পালং শাক-


পালং শাক শক্তির ভালো উৎস। পালং শাককে থাকা আয়রন, পটাশিয়াম শরীরে শক্তির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

ডিম-

দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে এক অসাধারণ খাবার ডিম। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার দুর্বলতার সমাধান হবে।

শরীরের শক্তি বাড়াতে ডিম খেতে পারেন। ডিম প্রোটিণ সমৃদ্ধ খাবার। যা আপনার শরীরে শক্তি বাড়াতে সাহায্যে করে।

চকলেট-


চকলেটে রয়েছে ফেনিলেথিলামিন (পিইএ) ও সেরোটোনিন। এ দুটি পদার্থ আমাদের মস্তিষ্কেও রয়েছে। এগুলো দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। পিইএর সঙ্গে অ্যানান্ডামাইড মিলে অরগাজমে পৌঁছাতে সহায়তা করে।

ভিটামিন সি জাতীয় ফল-



দৈহিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল দৈহিক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী।

দুধ-




যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য দৈহিক শক্তির উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি দৈহিক শক্তির হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।।

মাংস-

গরুর মাংসে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। কম ফ্যাটযুক্ত মাংস খান। যেমন কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।

বাদাম-

বাদাম শক্তির ভালো উৎস। আখরোট, কাজু বা পেস্তা বাদাম খেতে পারেন।

ডাল-

শরীরের দুর্বলতা কাটাতে ডাল খেতে পারেন। ডালে থাকা প্রোটিন শরীরের শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

কলা-

কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম দৈহিক শক্তি বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও। যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতেও সহায়ক। আর সর্বোপরি কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা আপনার দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে ক্লান্তি আসবে না।

সোর্স - গুগল 

মুখের ব্রণ কী করে সম্পূর্ণ ভাবে দূর করা যায়? Bron Theke Mukti Pete Koroniyo Ki?

 

মুখের ব্রণ কী করে সম্পূর্ণ ভাবে দূর করা যায়?

 

ব্রণর জন্য ঘরোয়া প্রতিকার কী?      



·         মুলতানি মাটিতে গোলাপ জলের চন্দন মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। পেস্ট শুকানোর পরে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার ব্রণ হ্রাস করবে এবং আপনার মুখের সৌন্দর্য বাড়বে।

·         নীম ত্বকের প্রদাহ শিথিল করে। হলুদের সাথে নিম পাতা দিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান এবং 20 মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন।

·         লেবুর অম্লীয় উপাদানগুলি ব্রণ নিরাময়ের জন্য দ্রুত হয়। লেবুটি মুখে ঘষে কিছুক্ষণ পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

·         মেথির মধ্যে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-সেপটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এবং এটি ব্রণে সারাতে অনেক সাহায্য করে। মেথির সতেজ পাতা দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন এবং এটি আপনার মুখে লাগান এবং কিছুক্ষণ পর হালকা গরম জল দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে নিন।

·         অ্যালোভেরা জেল প্রদাহ হ্রাস করে এবং এটির মধ্যে ব্রণ নিরাময়ের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। দিনে দুবার অ্যালোভেরা জেল প্রয়োগ করুন। এটি ব্রণর দাগ কমায়।

·         কমলা লেবুতে অম্লীয় অ্যাসিড এবং ভিটামিন সি রয়েছে যা ব্রণর সারানোর জন্য খুব উপকারী। কমলার রস ব্যবহার করুন ও মুখে কমলা খোসা লাগান, ব্রণের কোনও সমস্যা হবে না।

ব্রণর চিকিৎসা কী?



·         চর্ম বিশেষজ্ঞরা ব্রণ চিকিৎসা খুব ভাল করে করেন।

·         বেশিরভাগ চিকিৎসক ঔষুধের পরামর্শ দেন : রেটিনয়েডস, অ্যান্টিবায়োটিকগুলি, মলম। আস্তে আস্তে ক্ষত নিরাময় হয় এবং ব্রণ সেরে যায়।

·         গুরুতর ব্রণ নিরাময়ের জন্য, চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক Antibiotics লিখে দেন। এই ওষুধগুলি শরীরের ক্ষত কমায়।

·         অ্যান্টিবায়োটিকগুলি দ্বারা যদি ব্রণ নিরাময় না করা যায় তবে চিকিৎসকরা মহিলা এবং মেয়েদের স্পিনোলোকেটোন জাতীয় ওষুধের পরামর্শ দেন।

·         চিকিৎসকরা দেহের ক্ষত নিরাময়ে করতে স্টেরয়েড ইনজেকশন দেওয়ার পরামর্শ দেন।

·         ব্রণ ঠিক করতে ডাক্তার প্রথমে ব্রণর জায়গাটি দেখেন । কী ধরণের ব্রণ কত বড়ো বা ছোট , এগুলি যাচাই করার পরে তারা চিকিৎসা করেন ।

·         অতিরিক্ত গভীর এবং আহত ত্বকের অপারেশন করা হয়। এতে, চিকিৎসক ব্রণ কেটে ফেলেন এবং ব্রণর দাগটি একটি সূঁচ দিয়ে ঠিক করে এবং জায়গাটা মেরামত করে দেন।


গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল খেলে কি ক্ষতি হয়?

অনেকেই শরীরের তাপমাত্রা বাড়লেই বা একটু জ্বর জ্বর ভাব দেখলেই প্যারাসিটামল খেয়ে নেন। দৈহিক বা সোমাটিক ব্যথায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে অ-মাদক বেদনানাশক, বিশেষ করে প্যারাসিটামলই ব্যবহৃত হয়।


মাথাব্যথা, গলাব্যথা, পেশির ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, ঋতুকষ্ট ইত্যাদিতে প্যারাসিটামল খুবই কার্যকর। কিন্তু তাই বলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া প্যারাসিটামল ব্যবহার করা একেবারেই অনুচিত। বিশেষ করে প্রেগন্যান্সি বা গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত প্যারাসিটামল খেলে তার থেকে অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিসর্ডার বা অটিস্টিক স্পেকট্রাম ডিসর্ডার- এর মতো মারাত্মক স্নায়ুরোগ দেখা দিতে পারে।

সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সামান্য পরিমাণে প্যারাসিটামল বা এসিটামিনোফেন সেবনের ফলে ভ্রূণের স্নায়বিক গঠনতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ফলে সদ্যজাত শিশুর শরীরে দেখা দিতে পারে অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিসর্ডার বা অটিস্টিক স্পেকট্রাম ডিসর্ডার-এর মতো মারাত্মক স্নায়ুরোগ।

এই গবেষকদের মতে, প্রেগন্যান্সি বা গর্ভাবস্থায় জ্বর বা যন্ত্রনা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনও ওষুধ খাওয়াই উচিত নয়। তাই গর্ভবতী নারী বা শিশুদের ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল প্রয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করেছেন গবেষকরা। চিকিত্সকদের মতে, ২৪ ঘণ্টায় চার গ্রাম বা চার হাজার মিলিগ্রামের বেশি প্যারাসিটামল খাওয়া মোটেই উচিত নয়। কারণ তাতে কিডনি ও লিভারের মারাত্মক ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।

সূত্র: জিনিউজ

You can read more

হঠাৎ ব্রণ বেড়ে যাচ্ছে? সাবধান—আপনার ব্যবহৃত ক্রিমই হতে পারে কারণ! পড়ুন বিস্তারিত

হঠাৎ ব্রণ বেড়ে যাচ্ছে ? সাবধান — আপনার ব্যবহৃত ক্রিমই হতে পারে কারণ ! একজন ভদ্রমহিলা একদিন আতঙ্কিত অবস্থায় চেম্বারে এলেন। ত...

Popular Post